হার্টবিট ডেস্ক
চিকিৎসাবিদ্যায় গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬’ পেয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল। হাসপাতালের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ পদক তুলে দেন। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা ও গবেষণার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
ঐতিহ্যবাহী এ হাসপাতালে বর্তমানে ৪২টি বিভাগ এবং দুই হাজার ৬০০ শয্যাবিশিষ্ট অন্তঃবিভাগ রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার রোগী বহির্বিভাগে এবং প্রায় এক হাজার ৭০০ রোগী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। এছাড়া অন্তঃবিভাগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় চার হাজার রোগী ভর্তি থাকেন।
ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে হাসপাতালটির চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আহতদের চিকিৎসা ও সহায়তা দিয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় তিন হাজার আহত ব্যক্তিকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পাশাপাশি কোভিড-১৯ মহামারীতেও হাসপাতালটি নিরবচ্ছিন্নভাবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষায় ভূমিকা রেখেছে।
এ বছর স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬’ এর জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।








Discussion about this post